ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি


ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প শীতল পার্টির জন্য বিখ্যাত  জেলা। সিলেটের বালাগঞ্জ,কাশিপুর ,হামজাপুর এবং আরো কিছু অঞ্চলে শীতল পার্টির জনপ্রিয়তা রয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অঞ্চল সিলেটের বালাগঞ্জ। শীতল পাটি আরামদায়ক হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি ছিল।
শীতল পাটি

পোস্ট সূচিপত্র:ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি

শীতল পাটি তৈরি উপকরণ

শীতল পাটের প্রধান কাঁচামাল মুর্তা গাছের কান্ড বা বেত ফালি দিয়ে কেটে নেওয়া হয় ।উপযুক্ত রং ব্যবহার করে শুকিয়ে পরবর্তীতে শুকনো জাগায় দক্ষ কারিগর দ্বারা বুনানো হয়  সূচ ও সুতা দ্বারা  মুড়িয়ে সেলাই করা হয়। শীতলপাটি তৈরির প্রক্রিয়া কারিগরের দক্ষতা ও ধৈর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শীতল পাটির ব্যবহার 

গরমের সময় এর ঠান্ডা আরামদায়ক অনুভূতির কারণে শীতল। গ্রাম বাংলার বিয়ে বাড়িতেও শীতল পাটি ব্যবহার হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে শহরে শীতল পাটির জনপ্রিয়তা কম থাকলেও ঘর সাজানো বা পরিপাটি রাখার জন্য শীতল পাটি ব্যবহার করা হয়।

শীতল পাটির সুবিধা

শীতল পাটি অত্যন্ত আরামদায়ক। শীতল পানি গরমে ঠান্ডা অনুভূতি হয়ে থাকে। টেকসই হওয়ায় অনেকদিন ব্যবহারে সুবিধা রয়েছে। শীতল পাটি হালকা হওয়ায় এটি বহনযোগ্য। ঘর সাজাতেও শীতলপাটি ব্যবহার হয়ে থাকে। শীতল পাটির ব্যবহার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।

শীতল পাটি বুননে দক্ষ কারিগর

কারিগরের দক্ষতায় শীতল পাটি বানানো হয় হস্তশিল্পের সঙ্গে সংযুক্ত কারিগরদের জীবন জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতির সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে শীতল পাটির জনপ্রিয়তা কম থাকলেও বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বহনে এর জনপ্রিয়তা এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পায়।

আরো পড়ুন: ত্বকের যত্ন

শেষ কথা: লেখকের মন্তব্য

সাম্প্রতিক সময়ে শীতল পাটির চাহিদা কমে যাওয়ার ফলে এ হস্তশিল্পে কারিগররা এ কর্ম বাদ দিয়ে জীবিকার তাগিদে অন্য কর্ম বেছে নিয়েছেন। নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত পাওয়ার জন্য হলেও এই শিল্পে সংস্করণ করা অত্যন্ত জরুরী। নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিতি পাওয়া আমাদের সংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর্নস্ফিয়ার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Mst.Naina
Mst.Naina
একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও আর্নস্ফিয়ার আইটির একজন এডমিন। তিনি আর্নস্ফিয়ার আইটির মাধ্যমে শিক্ষা, অনলাইন আয়, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য ও জীবনধারা বিষয়ক তথ্য সুন্দরভাবে তুলে ধরেন